বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপিআই কার্যক্রমে অনিয়ম তথ্য গোপন ও সরকারি অর্থ অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই) জ্যোর্তিময়ীর বিরুদ্ধে কৈফিয়ত তলব করেছে খুলনা সিভিল সার্জন।
জানা গেছে, গত ১৩ মে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি দল ইপিআই স্টোর পরিদর্শনে গিয়ে স্টক রেজিস্টারে একাধিক অসংগতি খুঁজে পায়। প্রায় দু’মাস ধরে স্টক রেজিস্টার হালনাগাদ না করা, ব্যবহৃত ভায়ালের সঙ্গে তথ্যের গড়মিল এবং হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের হিসাবেও অসংগতির অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও কোভিড-১৯ এর টাকা ভুয়া ভাউচার করে আত্মসাৎ করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে জ্যোর্তিময়ীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী কাগজপত্র ১৩ হাজার ৫০০ জনকে টিকা প্রদানের তথ্য দেখানো হলেও ভায়ালের হিসেবের সঙ্গে তার মিল পাওয়া যায়নি। কাগজপত্র অনুযায়ী যেখানে প্রায় এক হাজার ৪০০ ভায়াল ব্যবহারের কথা, সেখানে সরেজমিনে দেখা যায় মাত্র ৯০০ ভায়াল ব্যবহার করা হয়েছে এবং আরও ৫৮৬ ভায়াল স্টোরে মজুত রয়েছে। এতে প্রায় ৪ হাজার মানুষকে টিকা প্রদানের তথ্য মিথ্যা বলে প্রতীয়মান হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় সরকারি অর্থ অপচয় ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রবিবার থেকে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
খুলনা গেজেট/এনএম

